‘জেরুজালেম ইসরায়েলের রাজধানী’ মানতে হবে ফিলিস্তিনিদেরঃ সৌদি যুবরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ 

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেয়া ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ‘শান্তি প্রস্তাব’ এর শর্তগুলো ফিলিস্তিনি নেতাদের মানতে হবে বলে জোর দিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এই শান্তি প্রস্তাব না মানলে তাদের চুপ করে থাকতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি ইহুদিগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে এক আলাপে এসব কথা বলেন তিনি। ইসরাইল-ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে ‘শান্তি প্রস্তাব’ হিসেবে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করতে চান ট্রাম্প।

অন্যদিকে জেরুজালেমের বাইরের একটি গ্রাম আবু দিজকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে প্রস্তাব করেন তিনি। যুবরাজ মোহাম্মদ ট্রাম্পের এ প্রস্তাব মেনে নিতেই ফিলিস্তিনি নেতাদের চাপ দিচ্ছেন। ইসরাইলের চ্যানেল টেনে প্রচারিত সংবাদের বরাত দিয়ে সোমবার আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
গত মাসে নিউইয়র্কে ইহুদিগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের তীব্র সমালোচনা করেন সৌদি যুবরাজ। সৌদি যুবরাজ বলেছেন, ‘গত কয়েক দশকে শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ফিলিস্তিনি নেতারা একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করেছেন।

এখন সময় এসেছে ফিলিস্তিনিদের প্রস্তাব গ্রহণ করার এবং আলোচনার টেবিলে আসা অথবা চুপ থেকে অভিযোগ দেয়া বন্ধ করা।’ গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক সমালোচনা উপেক্ষা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। অথচ জেরুজালেম ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড। ১৯৬৭ সালে আরব যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরাইল।

ফিলিস্তিনি নেতারা পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখেন। কিন্তু ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর মার্কিন ধাঁচের শান্তি প্রক্রিয়া মেনে নিতে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছেন বিন সালমান। তবে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ট্রাম্পের এ ‘শান্তি প্রস্তাব’ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কমেন্টস

কমেন্টস