ঈদগাহে জায়নামাজ ও ছাতা ব্যতীত অন্যকিছু নিষিদ্ধ

ডেইলি মিরর ২৪ ডেস্কঃ

ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া জানান, আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কোনকিছু নিয়ে আসতে পারবেন না।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) দুপুরে জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদগাহে প্রবেশের সময় কয়েকটি পয়েন্টে মুসল্লিদের তল্লাসী করা হবে। কেউ কোন ধরনের ব্যাগ, ছুরি-কাচি, মোবাইল, দাহ্য পদার্থ নিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধুমাত্র জায়নামাজ এবং বৃষ্টি থাকলে ছাতা ছাড়া অন্য কোনকিছু কেউ বহন করতে পারবেন না। তল্লাসীর সময় পুলিশ সদস্যরা মুসল্লিদের সঙ্গে আনা জায়নামাজ বা ছাতা খুলে দেখতে চাইলে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান কমিশনার।

তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে পুরো নগরীজুড়ে নিরবিচ্ছিন্ন-সমন্বিতভাবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদের ঈদ জামাত ঘিরে পোষাকধারী পুলিশের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সাদা পোষাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

জাতীয় ঈদগাহের পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চর্তুদিকে ব্যারিকেড দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। জামাতে আসার সময় মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাসীর পর মুসল্লীদের আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। মূল গেইট দিয়ে প্রবেশের সময় তাদেরকে আবারো তল্লাসীর মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত থাকবে। পুলিশের বিশেষায়িত সকল শাখাগুলোর অফিসাররা সার্বক্ষনিক কাজ করবেন এবং সিসিটিভির মাধ্যমে পুরো এলাকায় সার্বক্ষনিক নজরদারিতে থাকবে।

দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের জামাতে নামাজ আদায় করা যাবেনা। ডিএমপি কমিশনার বলেন, তাদের জন্য বেলা ১১টায় আলাদা ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদে নিরাপত্তায় সুস্পষ্ট কোন হুমকি নেই। তারপরেও ২০১৬ সালে শোলাকিয়া ময়দানে হামলা চেষ্টা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

কমেন্টস

কমেন্টস