স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর কাউন্সিলরের ২০ হাজার টাকার সমাধান

ডেইলি মিরর ২৪ ডেস্কঃ 

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে এক লম্পট। এ ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলর ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি দফারফা করেন। পরপর দুইদিন ধর্ষণের পর এলাকায় জানাজানি হলে কাউন্সিলর এই সমাধান দেন।

এরপরও মেয়েটির শরীরের অবস্থা আরও অবনতি হওয়ায় বুধবার দুপুরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। রাতে শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুনারুঘাট পৌর এলাকার নতুন বাজার প্রকাশিত পীরের বাজারে আশ্রায়ণ কেন্দ্রে থাকে হাজী ইয়াছির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী ও তার পরিবার। বাবা-মা দরিদ্র হওয়ায় মেয়েকে বাসস্থানে রেখে তারা গত ২ মে হাওর এলাকায় চলে যান। বিষয়টি জানতে পেরে একই এলাকার মৃত শিরু মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (৩৭) ওইদিন রাতে মেয়ের ঘরে প্রবেশ করে তাকে কৌশলে ঘুমের ওষুধ সেবন করান। কিছুক্ষণের মধ্যে মেয়েটি ঘুমিয়ে পড়লে উজ্জ্বল মিয়া তাকে ধর্ষণ করে। এভাবে পরপর দুইদিন ধর্ষণের কারণে রক্তক্ষরণে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। এই খবর পেয়ে ওই মেয়ের মা-বাবাও ফিরে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কাউন্সিলর কাজল মিয়া সালিশের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকায় দফারফা করেন। কিন্তু মেয়েটির চিকিৎসা না হওয়ায় সে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।

কমেন্টস

কমেন্টস